আজ থেকে নয় বছর আগে এই মহিলা খেয়ে ফেলেছে কাহালু সাগাটিয়া গ্রামের ইনসান আলীকে
সম্প্রতি বগুড়ার চার মাথায় অবস্থিত সেঞ্চুরি মোটেলে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রেফতার হয় একজন মোরশেদা নামের মহিলা, তবে গ্রামের মানুষ তাকে রানী নামে চেনে।
তার গ্রেফতারের খবর যখন অনলাইন মিডিয়ার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে সারা পৃথিবীতে ঠিক সে সময় Hakim Press এর নিউজ দেখে বিদেশের মাটি থেকে কল করেন একটি ছেলে এবং সে কাকুতি মিনতি করতে থাকে যে আপনি যে নিউজটি করেছেন সেই মেয়েটি কোথায় আছে দয়া করে একটু বলবেন কি আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম কেন আপনি জানতে চাচ্ছেন তিনি তো পুলিশ হেফাজতে আছে বগুড়া সদর থানায়।
ঠিক তখন ওই ছেলেটা কেঁদে উঠে বলল আজ থেকে নয় বছর আগে আমার বাবাকে নিয়ে ভেগে গিয়েছিল ওই দেহ ব্যবসায়ী মহিলা আজও আমার পরিবার আমার বাবাকে খুঁজে পাইনি মরে গেছে না বেঁচে আছে তাও জানিনা দয়া করে একটু সাহায্য করবেন। এমন কথার উপর ভিত্তি করে তার কাছ থেকে উপযুক্ত প্রমাণ চেয়ে বসলে সে প্রমাণ দিয়ে দেন এবং তার পরিবারের সঙ্গে কথা হয় ঘটনা সত্য। এই তথ্য থেকে আমরা নিশ্চিত যে এই মহিলা অনেক আগে থেকেই দেহ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং দেহ ব্যবসায়ী তার পেশা এবং নেশা।
(ইনসান আলীর ছেলে বিদেশ থেকে বলে আমাদেরকে চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল যে ইনসান আসবে না ইনসান আসলেও কাহালুর মাটিতে ইনসানের লাশ আসবে)
বগুড়া জেলার কাহালু থানার সাগাটিয়া গ্রামের ইনসান আলীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় তারা এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।