বিশেষ প্রতিনিধি:জলঢাকা উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের বেহাল দশা।
উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার, ডাক্তার মিনহাবুর রহমান (মিথুন) (স্যাকমো)কর্মকর্তা অনুপস্থিত, বন্ধ পরিবার পরিকল্পনা শৌলমারীতে ভোগান্তিতে জনগণ। আজকে দীর্ঘদিন ধরে নিজের মন মত করে স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি পরিচালনা করে আসতেছেন অত্র প্রতিষ্ঠানের অফিসার মিনহাবুর রহমান (মিথুন) গত ৩ এ সেপ্টেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় অফিসটিতে দূর থেকে দেখে বোঝার উপায় নেই যে খোলা আছে, না বন্ধ রয়েছে কিন্তু কাছে গিয়ে দেখা যায় তালা বন্ধ করে রেখে গেছে কর্মকর্তা (মিথুন) সেখানে দিনের একটা থেকে তিনটা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও পাওয়া যায়নি কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে, অবশেষে তিনটার মধ্যে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাক্তার মিনহাবুর রহমান (মিথুন)এসে গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতি পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন পরে তিনি এসে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকমের অভিযোগ তোলেন বলেন যে আজকে এক বছর ধরে ওষুধ পত্র নেই, আমি বসে থেকে কি করব, এবং রোগী নেই, কিন্তু তিনি সরকারের কাছ থেকে ২৯ হাজার টাকা বেতনের চাকরি করেও সরকারের চোখে ফাঁকি দিয়ে এরকম কাজ করে যাচ্ছেন। তবে এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনার কর্মকর্তার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান শৌলমারীর স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডাক্তার উনার দায়িত্ব হচ্ছে রোগীদের দেখভাল করে (প্রেসক্রিপশন) লিখে দিবে। কিন্তু ঔষধ আছে কিনা সেটা যাচাই বাছাই করার দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয়নি, এবং বাধ্যতামূলক সকাল ৯ টা থেকে, ৪টা পর্যন্ত স্বাস্থ্য কেন্দ্রে থাকা দরকার যাতে করে সাধারণ ভুক্তভোগীরা যেনো সেবা পায় সেখানে গিয়ে ঘুরে না আসে। কিন্তু সেটা তিনি না করে একে অপরের উপর দোষারোপ করতেছেন আমরা এটা খতিয়ে দেখে অবশ্যই তার কাছে আমরা জবাব চাইবো। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ যে সরকারের একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ইউনিয়ন পর্যায়ে কিন্তু আমরা গেলে কোনদিন এ পর্যন্ত কোনো ঔষধপত্র পাইনি, বা ওখান থেকে কোন সেবা আমরা পাই না, তাহলে সরকারের পক্ষ থেকে তাকে রাখা হয়েছে সাধারণ জনগণের জন্য কিন্তু তিনি আমাদের কোনভাবে সেবা প্রদান করেন না। এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্রের আশেপাশের সচেতন মহল ও সাধারণ জনগণ বলতেছে যেটা কোনভাবে মেনে নেওয়া যায় না, সরকারের একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র শুধু যেখানে সাধারণ জনগণরা সেবা পাবে, কিন্তু তিনি তার মতো করেই অফিসটি পরিচালনা করেন এবং অফিসটি অপরিচ্ছন্ন,ও দ্রুত সময়ের মধ্যে ডাক্তারকে বরখাস্তের দাবি এলাকাবাসীর।