• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
কাহালুতে মরহুম জাহাঙ্গীর আলম খানের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে  ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প কাহালু পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে আলোচনায় আজিজুল ইসলাম মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বগুড়া ধুনটে ২ জন গ্রেফতার : ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা প্রদান কাহালুতে ওলামা দলের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা কাহালুর সালাম সরদার বগুড়া জেলা তাঁতীদলের সহ-সভাপতি নির্বাচিত কুসুম্বায় চেয়ারম্যান প্রার্থী আরিফের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা কাহালুতে মাদককে না, খেলাধুলাকে হ্যাঁ স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ কর্মকর্তা অনুপস্থিত, বন্ধ পরিবার পরিকল্পনা সেবা শৌলমারীতে ভোগান্তিতে জনগণ দামুড়হুদা জুড়ানপুরে বাল্য বিবাহের আয়োজন করায় দুই পরিবারকে জরিমানা কাহালু পৌর সদরে ইসলামিয়া হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের শুভ উদ্বোধন, 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সরকারি কোয়ার্টারে চেম্বার খুলে চড়া ভিজিট নেওয়ার অভিযোগ, ড. সাদ্দাম ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বক্তব্য

Reporter Name / ৩৭ Time View
Update : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সাধন সাহা জয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ​ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত কয়েকজন সরকারি চিকিৎসকের বিরুদ্ধে সরকারি কোয়ার্টারে বসে ব্যক্তিগত চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে।

সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কোয়ার্টারে রোগী দেখে অতিরিক্ত ভিজিট নেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি কোয়ার্টারে বরাদ্দ পাওয়া ফ্ল্যাটে অবস্থান করে চিকিৎসকরা সকাল থেকে শুরু করে দুপুর, বিকেল ও রাত পর্যন্ত ব্যক্তিগতভাবে রোগী দেখেন।

সরকারি আবাসন ব্যবহারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।

সরকারি চাকরির সুযোগ-সুবিধা ও কোয়ার্টার ব্যবহার করেও রোগীদের কাছ থেকে তুলনামূলক অনেক বেশি ভিজিট নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে দিনমজুর, নিম্নআয়ের মানুষ ও দরিদ্র রোগীদের জন্য এই চড়া ভিজিট বহন করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

​স্থানীয়দের অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা নবীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়ার্টারে নারী-পুরুষ মিলিয়ে প্রায় ১০ জন চিকিৎসক বসবাস করেন।

এর মধ্যে ডা. সাদ্দামের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভিজিট নেওয়ার অভিযোগ সবচেয়ে বেশি। ভুক্তভোগীদের দাবি, গরিব রোগীদের ক্ষেত্রেও তাঁর কোনো ছাড় নেই। এমনকি কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর মৃত্যু সনদ (ডেথ সার্টিফিকেট) আনতে গেলেও তাঁর কাছে টাকা দিতে হয়।

অভিযোগ রয়েছে, মৃত্যু সনদ দেওয়ার জন্য তিনি সর্বনিম্ন ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত নেন।

অভিযোগের বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ডা. সাদ্দাম হোসেন বলেন, “আমি ভিজিট নিই প্রথমবার ৫০০ টাকা, পরবর্তীতে ৩০০ টাকা। আমি গরিব রোগীদের ক্ষেত্রে ছাড় দিই।

মৃত্যু সনদ আনতে সর্বনিম্ন এক হাজার টাকা নিই, এর বেশি না।”

এ বিষয়ে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুর রহমান মুঠোফোনে জানান, “কোয়ার্টারে ফ্যামিলি নিয়ে থাকার জন্য দিছে সরকার, কিন্তু চেম্বার খুলে বসার জন্য দেওয়ার অনুমতি বা সঠিক কিনা তা আমার জানা নাই।”

এলাকাবাসীর কেউ কেউ দাবি করেছেন, সরকারি কোয়ার্টারে ব্যক্তিগত চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার কোনো আইনি অনুমতি থাকলে তার নিয়ম-কানুন ও ভিজিটের যৌক্তিকতা জনসমক্ষে স্পষ্ট করা হোক।

আর যদি এ ধরনের কার্যক্রম বিধিবহির্ভূত হয়, তবে তা বন্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

দরিদ্র ও নিম্নআয়ের রোগীদের কথা বিবেচনা করে চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রে মানবিক ও যৌক্তিক ভিজিট নির্ধারণ এবং পুরো বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগ ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd