মোঃতোফাজুল ইসলাম বালিয়াডাঙ্গী (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ৩০০ (তিনশত) পিস অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
ঠাকুরগাঁও জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার মহোদয়ের সার্বিক দিক-নির্দেশনায় এবং বালিয়াডাঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অদ্য ২১ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বেলা
১২:০৫ ঘটিকায় বালিয়াডাঙ্গী থানাধীন ০৮নং বড়বাড়ী ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গী চৌরাস্তা হতে রুপগঞ্জগামী পাকা রাস্তার পাশে ঠাকুরগাঁও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৩৩/১১ কেভি, ২০ এমভিএ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের সামনে অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মোটরসাইকেলে থাকা ব্যক্তিরা মোটরসাইকেলটি ফেলে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ সদস্যরা ধাওয়া করে ০২ জনকে আটক করতে সক্ষম হন। আটককৃতরা হলেন-১। মোঃ বুলবুল আহম্মেদ (৩২), পিতা- মোঃ আবুল হোসেন, মাতা- মোছাঃ মনোয়ারা বেগম, সাং- বেংহারী (কাটগিরীপাড়া); ২। মোঃ মামুন মিয়া (২৯), পিতা- মৃত সবুর আলী, মাতা- মোছাঃ মজিরন খাতুন, সাং-লোহাগাড়া; উভয়ের থানা- দেবীগঞ্জ, জেলা- পঞ্চগড়। এ সময় তাদের সঙ্গে থাকা অপর একজন ব্যক্তি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
পরবর্তীতে বিধি মোতাবেক আটককৃত আসামিদের দেহ তল্লাশি করে তাদের হেফাজত হতে সর্বমোট ৩০০ (তিনশত) পিস অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ইয়াবা ট্যাবলেট সংগ্রহ করে বালিয়াডাঙ্গী থানা এলাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করে আসছিল। পলাতক আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে বালিয়াডাঙ্গী থানায় মামলা নং-২৪/১৮২, তারিখ-২১/০৮/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রুজু করা হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। মাদকদ্রব্যের অবৈধ ব্যবসা, পরিবহন, সরবরাহ ও বিস্তারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে জেলা পুলিশের এ ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অবৈধ মাদক ব্যবসায়ী, মাদকদ্রব্যের মজুদ, পরিবহন বা মাদক স্পট সংক্রান্ত কোনো তথ্য জানা থাকলে নিকটস্থ থানা অথবা পুলিশকে অবহিত করার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি অনুরোধ করা হলো।