• মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সান্তাহার পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে তৃণমূলের বাতিঘর সৌরভ কুমার কর্মকার। কাহালু শীতলাই দাখিল মাদ্রাসায় ফল বিপর্যয় ১১ পরীক্ষার্থীর ৯ জনই ফেল, পাস মাত্র ২পাসের হার ১৮.১৮ শতাংশ বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সামস্ ইসলাম সাগরের সঙ্গে তরুণ ব্যবসায়ী নাফিস আহমেদ মাসুমের সৌজন্য সাক্ষাৎ ছাত্রদল থেকে যুবদল—দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, কাহালু যুবদলের সভাপতি পদে আলোচনায় আকতার আজম” গর্বিত পিতার মুখ উজ্জ্বল করল আশিকুর রহমান সিয়াম, নগর শাহ্ মোজাম্মেল হক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ‘এ’ গ্রেডে উত্তীর্ণ দিঘলিয়ায় এসএসসি ও সমমানে জিপিএ-৫ পেল ৬৯ শিক্ষার্থী সেনহাটি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়েই ৩৩ জিপিএ-৫, ভোকেশনালে পাশের হার ৮০.১৮% উপজেলায় শীর্ষে নছির মন্ডল সরকারি বালিকা বিদ্যালয বগুড়ায় ব্যাংকারকে অপহরণ-জিম্মি করে ছিনতাই, সাবেক এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা; আটক ২ ডিবি বগুড়ার মাদক বিরোধী অভিযানে এক হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুইজন মাদক কারবারী ইমরান ও শুভ্র প্রসাদ গ্রেফতার  কাহালুতে বাসার সামনে থেকে ডিসকভার মোটরসাইকেল চু*রি

কাহালু শীতলাই দাখিল মাদ্রাসায় ফল বিপর্যয় ১১ পরীক্ষার্থীর ৯ জনই ফেল, পাস মাত্র ২পাসের হার ১৮.১৮ শতাংশ

Reporter Name / ৫৯ Time View
Update : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬

কাহালু (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার কাহালু উপজেলার শীতলাই দাখিল মাদ্রাসায় ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে চরম বিপর্যয়ের চিত্র উঠে এসেছে। এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় মোট ১১ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে মাত্র ২ জন। আর অকৃতকার্য হয়েছে ৯ জন।

ফলে প্রতিষ্ঠানটির মোট পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৮ দশমিক ১৮ শতাংশ। এমন ফলাফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি মাদ্রাসাটির পাঠদান, শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি, উপস্থিতি ও সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।

১১ জনে পাস মাত্র ২

প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, শীতলাই দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১১ জন পরীক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে মাত্র ২ জন পাস করলেও ৯ জনই ফেল করেছে। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় ৮২ শতাংশ শিক্ষার্থীই কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন করতে পারেনি।

এমন ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রমের মান নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল।

কারণ খুঁজে বের করার দাবি

অভিভাবকদের মতে, একসঙ্গে এত সংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি, শ্রেণিকক্ষে পাঠদান, বিষয়ভিত্তিক দুর্বলতা, মডেল টেস্ট ও পরীক্ষার আগে প্রস্তুতির বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা জরুরি।

বিশেষ করে কোন কোন বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বেশি পিছিয়ে পড়েছে, সেসব বিষয় চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগের প্রত্যাশা

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এবারের ফলাফলকে গুরুত্বের সঙ্গে বিশ্লেষণ করে শীতলাই দাখিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাস, নিয়মিত পরীক্ষা ও বিষয়ভিত্তিক বিশেষ প্রস্তুতির ব্যবস্থা করার পাশাপাশি অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

অভিভাবকদের প্রত্যাশা, এবারের ফলাফল যেন ব্যর্থতার শেষ অধ্যায় না হয়ে আগামী দিনের সাফল্যের জন্য একটি সতর্কবার্তা হয়।

১১ জনে পাস মাত্র ২, ফেল ৯—শীতলাই দাখিল মাদ্রাসার এমন ফলাফল এখন স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে দ্রুত কার্যকর ও দৃশ্যমান উদ্যোগের দাবি উঠেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd