• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
কাহালু থানা গোলঘরে সকাল থেকে সন্ধ্যা, নামধারী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ! সারিয়াকান্দিতে ক্রয়কৃত জমি দখল ও খাস জমি দিয়ে মেটানোর অভিযোগ: তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে প্রাণনাশের হুমকি ‎ মাদক সেবনের টাকার জোগান দিতে চাপ, ধারদেনা ও নির্যাতনের অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ কাহালুর কালাই ইউপি নির্বাচনে নতুন মুখ বিএনপি নেতা আব্দুস সবুর খাঁন, ভোটারদের মাঝে বাড়ছে আলোচনা কাহালু উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ তালুকদারের শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা কাহালু উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহিনুর আলম শাহিন মোল্লার শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা নবীনগরের মহেশপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫, গ্রেপ্তার ৪ অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে বিতর্ক, প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শারদীয় দুর্গোৎসবে কাহালুবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন সাংবাদিক এসএম রবি কাহালু পৌর শ্রমিকদলের উদ্যোগে মরহুম আরিফুল ও সালামের রূহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

জলঢাকায় সার বন্টনে অনিয়মের অভিযোগ : ডিলার মেসার্স রুবেল ট্রেডার্সের দোকানে ঝুলছে তালা

Reporter Name / ২০২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধিঃ নীলফামারীরজলঢাকা উপজেলায় সরকারি নির্ধারিত ন্যায্য মূল্যে সার পাওয়ার বদলে কৃষকরা মুখোমুখি হচ্ছেন সিন্ডিকেট এবং অনিয়মের। বিএডিসি অনুমোদিত ডিলারদের কাছে গিয়েও সার না পেয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে কৃষকদের। এরকমই একটি গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে শৌলমারী ইউনিয়নের সার ডিলার পয়েন্ট ‘মেসার্স রুবেল ট্রেডার্স’-এর বিরুদ্ধে।

সরেজমিনে তদন্তে গিয়ে বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিয়ম অনুযায়ী সপ্তাহের এই দিনে ডিলার পয়েন্ট খোলা রেখে কৃষকদের মাঝে সার বিতরণ করার কথা। কিন্তু মেসার্স রুবেল ট্রেডার্সের সামনে গিয়ে দেখা যায় সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র। দোকানের প্রধান ফটকটি তালাবদ্ধ এবং ডিলারের কোনো লোকজনকে সেখানে পাওয়া যায়নি। এদিকে সার পাওয়ার আশায় ডিলার পয়েন্টের সামনে উপচে পড়া কৃষকদের ভিড় জমতে দেখা গেছে।

বিক্ষুব্ধ কৃষকরা অভিযোগ করেন, এই ডিলার সপ্তাহে মাত্র এক বা দুই দিন দোকান খোলেন। তাও আবার ন্যায্য মূল্যে সার দেওয়া তো দূরের কথা, সার বন্টনের নামে নাটক সাজানো হয়। তাদের দাবি, একজন কৃষকের নামে একটি বস্তা সার চারজনের মধ্যে অথবা দুজনের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা করে দেওয়া হয়। ১০ থেকে ১৫ বস্তা সার এভাবে নামে মাত্র বিতরণ করেই ডিলার পয়েন্টটি বন্ধ করে চলে যান। এতে অধিকাংশ কৃষক সার ছাড়াই বাড়িতে ফিরতে বাধ্য হন।

অনুরূপ পরিস্থিতি কিছুদিন আগেও দেখা গেছে গোলমুন্ডা ঘাটের পর সংলগ্ন এলাকায় মেসার্স রানা ট্রেডার্স নামক আরেকটি ডিলার পয়েন্টে। সেখানেও সপ্তাহে একদিন-দুদিন খোলা রেখে তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল। ওই সময় উপজেলা কৃষি অফিসার মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সেখানে কোনো সার নেই। কিন্তু এলাকাবাসীর জোরালো দাবি ছিল যে, ওই দোকানে ১০০ থেকে ১৫০ বস্তা পর্যন্ত সার মজুদ ছিলো। পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, কৃষি অফিসারের অস্বীকার করার পরেও সংশ্লিষ্ট উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা এবং সকলের যোগসাজশে ওই ঘর থেকেই সার মজুদ রাখার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল।

সচেতন মহলের মতে, সরকার যখন কোটি কোটি টাকা খরচ করে বিভিন্ন কমিটি গঠন করে সার সিন্ডিকেট রোধ এবং ন্যায্য মূল্যে কৃষকদের কাছে সার পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছে, তখন জলঢাকায় প্রতিনিয়ত চলছে সার নিয়ে মহোৎসব। বিশেষ করে সন্ধ্যার পরে বিভিন্ন ভ্যান, অটো-গাড়ি এবং ট্র্যাক্টরের মাধ্যমে অবৈধভাবে সার পাচার করা হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়। এতে করে জলঢাকার প্রকৃত কৃষকরা তাদের অধিকার হারাচ্ছেন এবং সঠিকভাবে চাষাবাদ করতে পারছেন না। বাধ্য হয়ে তাদের খুচরা দোকান থেকে চড়া দামে সার কিনতে হচ্ছে। এছাড়াও জানা গেছে, অনেক অবৈধ ব্যবসায়ী বাড়িতে, গোপন গোডাউনে বা দোকানে সার মজুদ করে উচ্চ মূল্যে বিক্রি করছেন।

এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে এলাকার কৃষি ব্যবস্থা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে বলে কৃষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd