বগুড়ার কাহালু: কাহালু থানা গোলঘরে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন ফেসবুক নামধারী সাংবাদিকের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে কাহালুর সিনিয়র সাংবাদিক এমএ মতিনের একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
এমএ মতিনের ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করা হয়, কাহালু থানার গোলঘরে কয়েকজন ফেসবুক নামধারী ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে থানায় আসা লোকজনকে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। তারা থানায় কী কাজে এসেছেন, তা জানতে চান এবং নিজেদের কথামতো চলার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন বলে পোস্টে অভিযোগ করা হয়েছে।
পোস্টে আরও দাবি করা হয়, এসব ব্যক্তি সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের হয়ে তদবির করেন এবং একপর্যায়ে কয়েকজনের নাম ভাঙিয়ে নিজেদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যান। এমনকি সাধারণ মানুষকে ভুল বুঝিয়ে সংবাদ সম্মেলনের কথা বলে টাকা নেওয়া এবং ফেসবুকে প্রচার চালানোর অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া না যাওয়ায় অভিযোগগুলো এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে কেউ যদি সাধারণ মানুষকে হয়রানি বা প্রতারণা করে থাকেন, তাহলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে। একই সঙ্গে প্রকৃত সাংবাদিকদের মর্যাদা রক্ষা এবং থানায় সেবা নিতে আসা মানুষের হয়রানি বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল।
প্রশ্ন উঠছে—কাহালু থানা গোলঘরে সাধারণ মানুষ কি নির্বিঘ্নে সেবা নিতে পারবেন? নাকি সাংবাদিকতার পরিচয়ের আড়ালে হয়রানির অভিযোগ চলতেই থাকবে?
জনস্বার্থে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য নেওয়া জরুরি।