• শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
কাহালুতে ‘সড়ক যোদ্ধা’ সম্মাননায় জিল্লুর রহমান, নতুন সদস্যদের অভিষেক বগুড়ার ফতেহ আলী বাজারে অভিযানে ৭টি প্রতিষ্ঠানের ৭,৫০০/- টাকা জরিমানা আদায়  কাহালুতে পিক আপ ভ্যান ও সিএনজি মুখোমুখী সংঘর্ষে মহিলার মৃত্যুর পর আহত সিএনজি চালক খালেকও মারা গেলেন যে মা সন্তানদের জন্য সব হারালেন, সেই মায়ের সবজি গাছও কেটে দিল ছেলেরা বগুড়ায় এসএসসি পরীক্ষায় ৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ জামালপুরে স্কুলছাত্রকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে কাহালুর পাঁচপীর মাজার: শতাব্দীর রহস্যে ঘেরা এক ঐতিহাসিক জনপদ কাহালু নামের নেপথ্যে দরবেশ কালু বাবা: ইতিহাস-ঐতিহ্যের এক প্রাচীন জনপদ জনগণের হস্তক্ষেপে ২০ বছর পর চলাচলের রাস্তা পুনরায় উন্মুক্ত সিরাজগঞ্জ তাড়াশ যুবদল নেতার উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্ত

কাহালু নামের নেপথ্যে দরবেশ কালু বাবা: ইতিহাস-ঐতিহ্যের এক প্রাচীন জনপদ

Reporter Name / ৬৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬

কাহালু প্রতিনিধি:বগুড়ার কাহালু—ইতিহাস, ঐতিহ্য ও ধর্মীয় সংস্কৃতির এক সমৃদ্ধ জনপদ। প্রাচীন এই জনপদের নামের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এক দরবেশ ও সুফি সাধকের স্মৃতি। স্থানীয় জনশ্রুতি ও প্রচলিত ইতিহাস অনুযায়ী, কাহালু নামকরণের পেছনে রয়েছে হযরত শাহ সুফী সৈয়দ কালুর আধ্যাত্মিক জীবন ও সাধনার ইতিহাস।

জনশ্রুতি রয়েছে, তৎকালীন দরবেশ গাজী জিয়া উদ্দীন সাহেবের কনিষ্ঠ ভ্রাতা হযরত শাহ সুফী সৈয়দ কালু নামে এক দরবেশ বর্তমান কাহালু থানা সংলগ্ন এলাকায় এসে আস্তানা স্থাপন করেন। সেখান থেকেই তিনি ইসলাম ধর্মের প্রচার-প্রসারে নিয়োজিত হন। জীবনের শেষ সময়ও তিনি কাটান এই এলাকাতেই এবং এখানেই মৃত্যুবরণ করেন।

তার স্মৃতিকে ঘিরে কাহালু থানার অভ্যন্তরে রয়েছে একটি প্রাচীন মাজার, যা স্থানীয় মানুষের কাছে ‘কালু বাবার মাজার’ নামে পরিচিত। বছরের পর বছর ধরে এই মাজারকে ঘিরে মানুষের ধর্মীয় আবেগ, শ্রদ্ধা ও নানা লোকাচার গড়ে উঠেছে।

স্থানীয়দের প্রচলিত বিশ্বাস, এই সাধক পীর হযরত শাহ সুফী সৈয়দ কালুর নাম থেকেই পরবর্তীতে এ জনপদের নাম হয় ‘কাহালু’। যদিও নামকরণের এই ইতিহাস মূলত জনশ্রুতি ও স্থানীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত, তবুও কাহালুর মানুষের কাছে এটি তাদের শিকড় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

প্রশাসনিক ইতিহাসেও কাহালুর রয়েছে দীর্ঘ পথচলা। ১৯২৮ সালে কাহালু প্রশাসনিক থানা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ সময় থানা হিসেবে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার পর ১৯৮৩ সালে কাহালু উপজেলায় উন্নীত হয়।

বর্তমানে কাহালু শুধু একটি প্রশাসনিক উপজেলা নয়—এটি বগুড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ, যার মাটিতে মিশে আছে ধর্মীয় ঐতিহ্য, লোককথা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও প্রাচীন ইতিহাসের নানা অধ্যায়।

দরবেশ কালু বাবার স্মৃতিবিজড়িত মাজার থেকে শুরু করে আধুনিক উপজেলা হিসেবে কাহালুর পথচলা—সব মিলিয়ে এ জনপদের ইতিহাস যেন অতীত ও বর্তমানের এক সেতুবন্ধন। আর সেই ইতিহাসই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে কাহালুর মানুষের কাছে হয়ে আছে গর্ব ও ঐতিহ্যের পরিচয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd