বগুড়া শেরপুরে ছিনতাইকারী মোঃ মােকছেদুর রহমান মাহিনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে
বগুড়া ধুনট উপজেলার পিতা মৃত শাহজান আলী মন্ডলের ছেলে, মোঃ শাহাদাত হোসেন বাদী হয়ে, শেরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় অভিযুক্ত ছিনতাইকারী মোকসেদুর রহমান মাহিন (২০) কে পুলিশ গ্রেফতার করে।
গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাত আনুমানিক ১টা ৩৫ মিনিটে বগুড়া সদর টেরিটরিতে কর্মরত স্যাম্প লিঃ-এর এক কর্মচারী বগুড়া সদর অফিসের কাজ শেষে, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার ভাগিনাকে ভর্তি করে, কোম্পানির মোটরসাইকেলযোগে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। শেরপুর উপজেলা গাড়ীদহ ইউনিয়নের গাড়ীদহ ওভারব্রীজের উপর পৌঁছামাত্র অজ্ঞাতনামা ৩ জন আসামী মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে ধারালো অস্ত্র প্রদর্শনপূর্বক ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে। একপর্যায়ে বাদীর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে তার নিকট থাকা একটি বাজাজ ডিসকভার ১২৫ সিসি মোটরসাইকেল, ২টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ১০,০০০/- টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায়। উক্ত ঘটনার পর শেরপুর থানা পুলিশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত আসামীদের গ্রেফতার ও ছিনতাইকৃত মালামাল উদ্ধারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করে এবং বিশ্বস্ত সোর্স নিয়োগ করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, ছিনতাইকারীরা বগুড়া শাহজাহানপুর উপজেলা বি-ব্লক ফ্লাইওভারের নিকট ঢাকা গামী একটি অজ্ঞাত ট্রাকের গতিরোধের চেষ্টা করে। এ সময় ট্রাকের ধাক্কায় ছিনতাইকারীদের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং স্থানীয় জনতা ঘটনাস্থল থেকে একজনকে আটক করে। সংবাদ পেয়ে শেরপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্থানীয় জনতার নিকট থেকে আটককৃত ব্যক্তিকে হেফাজতে গ্রহণ করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদে সে তার মোঃ মোকছেদুর রহমান মাহিন (২০), পিতা মোঃ রবিউল ইসলাম, সাং-রহিমাবাদ মধ্যপাড়া, ইউনিয়নের-আড়িয়া, থানা-শাজাহানপুর, জেলা-বগুড়া বলে জানা যায়। ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং ট্রাকের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া মোটরসাইকেলটি উক্ত মামলায় ছিনতাইকৃত মোটরসাইকেল বলে জানায়। পরে আসামীর দেখানো ও সনাক্ত মতে ছিনতাইকৃত বাজাজ ডিসকভার ১২৫ সিসি মোটরসাইকেলটি উদ্ধারপূর্বক বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, মামলার অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার ও অবশিষ্ট ছিনতাইকৃত মালামাল উদ্ধারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।