কাহালুতে আদালতের রায়ে ১২ শতক বসতভিটার জমি প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দেওয়া হলো
১৪ বছরের আইনি লড়াইয়ের অবসান, আদালতের নির্দেশে সার্ভেয়ার দিয়ে মাপজোক শেষে শান্তিপূর্ণভাবে জমি হস্তান্তর
বগুড়ার কাহালু উপজেলার মালঞ্চা ইউনিয়নের অঘোর মালঞ্চা গ্রামে আদালতের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বিরোধপূর্ণ ১২ শতক বসতভিটার জমি প্রকৃত মালিকের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই ২০২৬) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত কাহালু সিভিল জজ আদালতের নির্দেশে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
জানা গেছে, অঘোর মালঞ্চা গ্রামের বাসিন্দা মো. শাজাহান হোসেন (৭০) ২০১২ সালে মৃত তবি দাফাদারের বিরুদ্ধে পাওনা সূত্রে বসতভিটার জমি ফেরত পাওয়ার দাবিতে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে তিনি মামলায় ডিক্রি লাভ করেন।
আদালতের মোকদ্দমা নং-৬৩/২০১২ অনুযায়ী অঘোর মৌজার জে.এল. নং-১৩৩, সি.এস. খতিয়ান নং-২০৯ এবং দাগ নং-১৫৪১ ও ১৫৪২-এর নির্ধারিত অংশ আদালতের নির্দেশে সার্ভেয়ার দিয়ে মাপজোক করে প্রকৃত মালিক মো. শাজাহান হোসেনকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
এ সময় বগুড়া জজ কোর্টের নাজির মো. আইয়ুব আলী এবং জারি কারক মো. রইস উদ্দিন উপস্থিত থেকে ঢোল পিটিয়ে আদালতের আদেশ জনসম্মুখে পড়ে শোনান। পরে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী জমি বুঝিয়ে দেওয়ার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কাহালু থানার এসআই (নিরস্ত্র) মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে পুলিশ সদস্য মিন্টু, আনিস, মাসুদ, আরিফুল এবং নারী কনস্টেবল রুকসানা ও শারমিন দায়িত্ব পালন করেন।
জমি বুঝিয়ে দেওয়ার সময় স্থানীয় প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন উৎসুক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পুরো কার্যক্রম শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
কাহালু থানা পুলিশ জানায়, এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতির ওপর গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।