• সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৪:১২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
কাহালু পৌর হাট ও বাজারের দ্বি-তল ভবনের ১ বছরের কাজ শেষ হয়নি ২ বছরেও বাড়ছে চরম জনদুর্ভোগ  কাহালুতে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে শিক্ষার পাশে এমপি মোশারফ হোসেন কাহালুতে বড় মহর মোহাম্মদ আলী জামে মসজিদে অনুদানের ডিও লেটার প্রদান দিঘলিয়ায় খড়বোঝাই ট্রলি উল্টে অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পথচারী, বেপরোয়া ট্রলি চলাচলে জনদুর্ভোগ চরমে বগুড়া শাহাজানপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ১ জন গ্রেফতার : ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা প্রদান সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইতে গ্রেপ্তার তথ্য দিন, সেবা নিন মাদক ব্যবসায়ীদের কোনো ছাড় নয় কাহালুতে মাদক কারবারিদের স্থান হবে না ওসি শফিকুল ইসলাম। নওগাঁ পোরশায় পৃথক দু’টি অভিযানে ১ কেজি গাঁজা ও ৪ গাঁজা গাছসহ দুই জন গ্রেফতার বগুড়া মহানগরে মাদকবিরোধী অভিযানে ১০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ একজন গ্রেফতার করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা প্রদান কাহালুতে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে গাছের চারা, সার ও উপকরণ বিতরণ

ভুয়া কাজীর দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ জলঢাকা উপজেলার সর্বসাধারণ মানুষ

Reporter Name / ৩৩৪ Time View
Update : শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

নীলফামারী প্রতিনিধি:নীলফামারী জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে রেজিস্টার র্কৃত কাজী থাকলেও, ভুয়া কাজীর তাণ্ডবে সাধারণ মানুষরা। বেশ কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় বাল্যবিবাহ গুলো পরিয়ে থাকেন আনারুল হক নামে এক ভুয়া কাজী, প্রতিদিনই বিভিন্ন স্থানে পাঁচ থেকে সাতটা করে বিবাহ পড়িয়ে থাকেন। নেই কোন ছেলে-মেয়েদের পক্ষে গার্জিয়ান, নেই কোন সাক্ষী, ছেলে মেয়ে বাড়ী থেকে পালিয়ে যাচ্ছে, দূর থেকে পালিয়ে জলঢাকায় আসতেছে সবগুলোই যেনো একটি ফোন কলের মাধ্যমেই একাই সারতেছেন বিবাহর কাজগুলো ভুয়া আনারুল হক কাজী। সচেতন নাগরিকরা বলতেছে সে কাজী না হয়েও যা ক্ষতি করতেছে সমাজের এটা কোনভাবে মেনে নেওয়ার মতো নয়।

কারণ তিনি সমাজে বিভেদ এবং বিভিন্ন সামাজিক বিষয়গুলো নষ্ট করতেছেন। কারণ এই বিষয়ে অনেক ভুক্তভোগীদের সাথে কথা হলে তারা জানান সে বিবাহ পড়ায় কিন্তু পরবর্তী কাবিননামা বা কোন কিছু চাইতে গেলে দিতে পারেনা। এবং এক একটি বিবাহ পড়াতে গনতে হয় দশ থেকে বিশ হাজার টাকা। তবে বিষয়টি নিয়ে নাজমুল কাজীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান যে মানুষের হত্যার বিচার হয় না, মানুষের বিবাহ পড়ালে কি হবে, তবে বিবাহ রেজিস্টার বইয়ের বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি অস্বীকারে চলে যান। বিষয়টি নিয়ে রেজিস্টারকৃত কাজী বেলাল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান যে এই ভুয়া কাজীদের জন্য আমরা যারা প্রকৃত সরকারের রেজিস্টার কৃত কাজী আমরা বিবাহ গুলো পড়াতে পারছি না। কারণ আমরা নির্ধারিত ফ্রি নেই এবং সাবালিকা হলেই বিবাহ দেই তাছাড়া আমরা বিবাহ পড়াই না, কারণ আমাদের গঠনতন্ত্র মেয়ের বয়স হতে হবে ১৮ ছেলের বয়স ২২। ভুয়া কাজী আনারুল কি করেন ১২ বছর, ১৩ বছর, এবং ১৪ বছর ছেলে মেয়েদের জীবন গুলো এক নষ্টের মুখে ঢেলে দিচ্ছেন তাই আমরা চাই আমাদের রেজিস্টারকৃত কাজী দের পক্ষ থেকে তাকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক, তাছাড়াও বেশ কিছুদিন ধরে এই ভুয়া কাজী আনারুলের নামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে এসেছে একাধিক তথ্যসূত্র।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd